Institute of Royal Marine Academy

Best Polytechnic Institute in Dhaka

তৈরি করবো প্রকৌশলী দক্ষ, মান সম্মত কর্মসংস্থান আমাদের লক্ষ্য।

ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী-তে আপনাকে স্বাগতম

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অনুমোদিত ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী সর্ববৃহৎ প্রাইভেট পলিটেকনিক (Private Polytechnic)। প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সাথে মানসম্মত শিক্ষার সমন্বয় না ঘটলে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে উঠে না। আর দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার (Technical Education) গুরুত্ব অনেক। সময়ের বিবর্তন আর প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী কারিগরি শিক্ষার (Technical Education) চাহিদা বাড়ছে। ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী সেই চাহিদা পূরণে সচেষ্ট। আন্তরিক চেষ্টা ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে ২০০৮ সালের জুন মাসে মাত্র ১টি টেকনোলজি নিয়ে যাত্রা শুরু করে ইনস্টিটিউট অব রয়েলমেরিন একাডেমী । প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই অনুমোদিত আসন সংখ্যার সবকটি আসনেই শিক্ষার্থী ভর্তি করতে সক্ষম হয়। শুরুর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে থেকে আরও নতুন নতুন টেকনোলজি চালু করার মাধ্যমে অনেক বেশি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন পায় প্রাইভেট এই পলিটেকনিক (Technical Education)। বর্তমানে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে এসে ৪ টি টেকনোলজিতে ২০০ টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্য্ক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ডিপার্টমেন্ট সমুহ

ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী-তে কেন পড়বেন ?

ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী ঢাকার সেরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য একটি অনুরূপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। আমাদের ইনস্টিটিউট আপনাকে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদান করে এবং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে আপনি শিখতে পছন্দ করবেন। এবং এছাড়াও আমাদের ইনস্টিটিউট আপনাকে জ্ঞান, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং অভিজ্ঞতা প্রদান করে যা আপনাকে আপনার বিশ্বকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করে।
আমাদের লক্ষ্য আমাদের শিক্ষার্থীদের আরও স্বপ্ন দেখতে, আরও শিখতে, আরও কিছু করতে এবং তাদের নিজ নিজ জীবনের যাত্রায় আরো উন্নত হয়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করা।
অধ্যক্ষ — ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী

ক্যাম্পাস লাইফ

ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী ছাত্র জীবনের জন্য ঢাকার সেরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। এই ইনস্টিটিউটে ছাত্রদের জীবন শুধু পড়াশোনা নয়। এটি অসংখ্য আকর্ষণীয় সুযোগ এবং অনেক মজা প্রদান করে। প্রতিটি আগ্রহী শিক্ষার্থী কোথায় যেতে হবে এবং কীভাবে তার প্রতিভা, দক্ষতা এবং আগ্রহগুলি প্রয়োগ করতে হবে তা খুঁজে পেতে পারে। এখানে ডিজিটাল ক্লাবে আপনার সময়কালে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত ক্রিয়াকলাপের সাথে জড়িত হওয়া, নতুন কিছু শেখার এবং ইনস্টিটিউট অব রয়েল মেরিন একাডেমী (ঢাকার সেরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট) এর গতিশীল ছাত্র সম্প্রদায়ের মধ্যে নিজেকে নিমজ্জিত করার একটি দুর্দান্ত উপায়।
Students
0 +
Alumni
0 +
Teachers
0 +

সাম্প্রতিক নিউজ

Industrial Tour

শিক্ষার্থীদের বাস্তব সম্মত শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের কোন বিকল্প নেই। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট করা হলো। শিল্পপ্রধান উন্নয়নশীল দেশের দিকে ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে

Read More »
HAVE QUESTIONS? ASK A SPECIALIST

01936005817 01936005818

6 DAYS A WEEK FROM 09:00 AM TO 5:00PM

Scroll to Top

Online Admission

Diploma in Mechanical Engineering

মেকানিক্যাল টেকনোলজি বলতে যন্ত্র কৌশলকে বুঝায়। আবার যন্ত্র কৌশল বলতে কোন মেশিন বুঝায় বা যার সাহায্যে কোন যানবাহন পরিচালনা করা হয়। মেশিনের সাহায্যে উৎপাদনমুখী সকল কল-কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে শুরু হয়ে আধুনিক উন্নয়নের ধারক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। এই টেকনোলজিতে অত্র প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারিক সকল উপকরণ সমূহ পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকায় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় একজন যোগ্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে চাকুরীসহ আত্নকর্মসংস্থান ও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের রয়েছে সুবর্ণ সুযোগ।ড অ্যাকাডেমিক পরিবেশে অবস্থিত অত্র বিভাগের শিক্ষার্থীরা দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে ওঠে নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদের সযত্ন পরিচর্যায়।
ভর্তির যোগ্যতা
SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ। যেকোন সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
মেকানিক্যাল ইঞ্জিঃ এর কর্মক্ষেত্র সমূহ
১.পাওয়ারপ্ল্যান্ট সমূহ ২.কল-কারখানা ৩.গ্যাসফিল্ড ৪.জাহাজ নির্মাণ শিল্প ৫.পেট্রোলিয়াম জাত পণ্য (লুব অয়েল, পেট্রোল,ডিজেল) ৬.যেকোন ইন্ডাস্ট্রির ইউটিলিটি ও মেইন্টেনেন্স বিভাগে। ৭.অটোমোবাইল ৮.বিভিন্ন সিমেন্ট ইন্ড্রাস্টিতে ৯.সার কারখানার ১০.রেলওয়ে ১১. বিমান ১২. নবায়নযোগ্য শক্তি ১৩.জেনারেটর/ক্যাপটিভ পাওয়ার ইত্যাদিতে।

Diploma in Electrical Engineering

বিজ্ঞানী ভোল্টা কর্তৃক Electricity আবিস্কারের পর থেকেই মূলতঃ আধুনিক সভ্যতার যাত্রা শুরু। Electricity ছাড়া আমাদের জীবন যেমন অচল, Electrical Technology ছাড়াও পৃথিবী তেমনি অচল। কৃষি নির্ভর এবং শিল্পনির্ভর অর্থনীতি এখন পরিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল। ভারী শিল্প থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র কুটির শিল্প এবং গ্রাম্য কৃষি উপকরণ আজও বিদ্যুতের নিয়ন্ত্রণে। বর্তমান সভ্যতার সকল আধুনিক উপকরণসহ বেঁচে থাকার জন্য যুগোপযোগী Medical Science-এর সকল উপকরণই বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রিত। Electrical Technology কে বাদ দিয়ে সভ্যতার সকল উপকরণই অর্থহীন। সুতরাং বলা যায় সভ্যতার সর্বত্র বিদ্যুতের গুরুত্ব অপরিসীম এবং এর গুরুত্ব চিরদিনই থাকবে। ফলে Electrical Technology এর চাহিদা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভর্তির যোগ্যতা
SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ। যেকোন সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিঃ এর কর্মক্ষেত্র সমূহ
Power Station, DESA, DESCO পল্লীবিদ্যুৎ বোর্ড, গ্যাস ফিল্ড, Power Grid, LGED, WASA, BTCL বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানী এবং যে কোন ইন্ডাস্ট্রিতে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের প্রচুর চাকুরির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পলিটেকনিক গুলোতে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে চাকরির সুযোগ রয়েছে।

Diploma in Marine Engineering

আধুনিক বিশ্বে পরিবহন খাতের আয়ের শতকরা ৫৪ ভাগ আসে নৌ পরিবহন খাত থেকে। নৌ পরিবহনের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে জাহাজ। জাহাজ পরিচালনার জন্য দক্ষ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন। দক্ষ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ার লক্ষ্যে মেরিন টেকণোলজি কোর্স প্রবর্তন হয়। অত্র প্রতিষ্ঠানে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করার পর একজন সনদ প্রাপ্ত ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার অভ্যন্তরীন ও সমুদ্রগামী জাহজে ক্যাডেট ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকুরীর যোগ্যতা অর্জন করবে। দেশে সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিপইয়ার্ড, ডকইয়ার্ড ও বিদেশে শীপইয়ার্ড এ যথেষ্ট চাকুরির সুযোগ রয়েছে।
ভর্তির যোগ্যতা
SSC / সমমান পরীক্ষায় যেকোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ। যেকোন সালের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। HSC (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে শূন্য আসনে ৪র্থ পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। HSC (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসনে ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
মেরিন ইঞ্জিঃ এর কর্মক্ষেত্র সমূহ
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের কর্মক্ষেত্র সাধারণত দুই ধরনের হয়। আপনি যদি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পেতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেতে হবে। আপনার প্রতিষ্ঠান আপনাকে একটি জাহাজ নির্দিষ্ট করে দিবে যার যাত্রা আপনার সমাপ্ত করে পুনরায় প্রস্থানবন্দরে ফিরে আসতে হবে। জাহাজগুলো সাধারণত মালবাহী হয়। এক্ষেত্রে গাড়ি, তেল ট্যাংকার, কেমিক্যাল ট্যাংকার, কন্টেইনার, বিভিন্ন আসবাবপত্র সহ প্রভৃতি বড় আকারের দ্রব্য ও পণ্য জাহাজগুলো এক বন্দর হতে অপর বন্দরে বহন করে নিয়ে যায়। একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারকে একটি জাহাজের সমগ্র যাত্রা সাফল্যের সাথে সমাপ্ত করতে হয়।